চায়ের দোকান
চায়ের দোকান
❑
ভাবছিলাম অদ্ভুত সেই চায়ের দোকানের কথা—একশ সতেরো পদের চা পাওয়া যেত যেখানে। তুমি বলছিলে, সব মিথ্যে! এসব নিতান্তই বিজ্ঞাপন। অত রকম চা নিশ্চয়ই বানানো সম্ভব নয়! আমরা পরীক্ষা করার জন্য একেকদিন একেকটা চায়ের অর্ডার দিতে শুরু করলাম। তোমার কথাই সত্যি হয়েছিল। একশ ষোলো পদের চা আমরা পেয়েছিলাম। জ্যোৎস্নার সাথে অ্যালোভেরার চা দিতে পারেনি কালো দোকানদার। মনে আছে কি না, একটা চা খেয়েছিলাম, জলপ্রপাতের সাথে মৌমাছির ডানার গুঞ্জন, কিশমিশ আর আমলকিমিশ্রিত। আরেকটা চা ছিল, যেটা খেলে ক্ষুধা নিবারণ হয়। সেই এক কাপ চা পানের পরবর্তী এক সপ্তাহ আমরা আর কোনো ক্ষুধা বোধ করিনি।
.
ভাবছি এবার শীতের ছুটিতে পৃথিবীতে যাবার সময় ঐ চা বানানোর পদ্ধতিটা শিখে যাব। তারপর আমরা পৃথিবীতে একটা ক্ষুধা নিবারক চায়ের দোকান খুলে বসব।


No comments